শ্রীলংকার ওষুধ শিল্পে বাংলাদেশী উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের আহ্বান

শ্রীলংকার ওষুধ শিল্পে বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়েছে।

শ্রীলংকার ওষুধ শিল্পে বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়েছে। কলম্বোয় গতকাল ন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স অব শ্রীলংকা আয়োজিত ‘অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সম্প্রসারণে বাংলাদেশ-শ্রীলংকার বাণিজ্যিক সম্পর্কের উন্নয়ন’ শীর্ষক বিজনেস প্লেনারি সেশনে এ আহ্বান জানানো হয়। অনুষ্ঠানে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) প্রতিনিধি দল অংশ নেয়।

বৈঠকে ন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স অব শ্রীলংকার সভাপতি আনুরা ওয়ারনাকুলাসুরিয়া বলেন, ‘দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে পারস্পরিক আস্থা অত্যন্ত জরুরি। বেসরকারি খাতে এ ধরনের সমন্বয় দুই দেশের অর্থনৈতিক অংশীদারত্বকে এগিয়ে নেবে।’

অনুষ্ঠানে ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ, বিনিয়োগ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে ও দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে ডাবল ট্যাক্সেশন এভয়ডেন্স এগ্রিমেন্ট হালনাগাদ করার প্রস্তাব দেন তিনি।

শ্রীলংকা-বাংলাদেশ বিজনেস কো-অপারেশন কাউন্সিলের সভাপতি আন্দ্রে ফার্নান্দো দেশটির ওষুধ শিল্পের উন্নয়নে বাংলাদেশী বিনিয়োগকারীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

শ্রীলংকা এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান মানগালা ওয়াইজেসিঙ্গহি জানান, সুতা, মসলা, পশুখাদ্য, বাদাম ও কৃষিপণ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে।

বোর্ড অব ইনভেস্টমেন্ট শ্রীলংকার রেনুকা এম ওয়াইরাকুনে বলেন, ‘দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) সময়োপযোগী। শ্রীলংকায় ওষুধ, মেডিকেল যন্ত্রপাতি ও ফ্যাব্রিকস খাতে বিদেশী বিনিয়োগের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, যেখানে বাংলাদেশী উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের অপার সম্ভাবনা রয়েছে।’

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত শ্রীলংকার হাইকমিশনার ধর্মপালা বীরাক্কোদি ও শ্রীলংকায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার আন্দালিব ইলিয়াস বক্তব্য দেন।

বৈঠকে ডিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি রিজওয়ান রাহমান, ঊর্ধ্বতন সহসভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী এবং সহসভাপতি মো. সালিম সোলায়মানসহ প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও